01/17/2026 চরশাহীতে ডাকাতির ঘটনায় ৩ আসামি গ্রেফতার,অস্ত্র ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার
স্টাফ রিপোর্টার
১৬ জানুয়ারী ২০২৬ ২২:১১
লক্ষ্মীপুরে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার একটি ডাকাতির মামলায় প্রধান তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে লুণ্ঠিত মালামাল, নগদ টাকা ও একটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চন্দ্রগঞ্জ থানার মামলা নং-০৪, তারিখ ০৯/০১/২০২৬ অনুযায়ী গত ০৮ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ১০ মিনিটের মধ্যে ১২নং চরশাহী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ-পূর্ব তিতারকান্দি এলাকার আরব আলী মোল্লা বাড়িতে ১০/১২ জনের একটি ডাকাত দল হানা দেয়। ডাকাতরা ওই বাড়ির দাউদ আলীর বসতঘর থেকে নগদ ৬৪ হাজার টাকা, ১১ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার (মূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা) এবং ৬টি মোবাইল ফোনসহ মোট ৩ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
-2026-01-16-22-09-28.jpg)
ঘটনার পর ভুক্তভোগী থানায় এজাহার দায়ের করলে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা রুজু হয়। লক্ষ্মীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. আবু তারেকের নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)-এর সহায়তায় এবং চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের তত্ত্বাবধানে পুলিশ অভিযান শুরু করে।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তিনজন ডাকাতকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন— বাদশা মিয়া (৩৫), আলা উদ্দিন (৩২) এবং আবুল বাশার ওরফে বাশার ডাকাত (৫০)।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আবুল বাশারের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পলাতক আসামি রাসেলের বাড়ি থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা এবং জনৈক রনজিত কুরির কারখানা থেকে গলানো অবস্থায় ৬ আনা ৪ রতি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার ভবানী জীবনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামি জায়েদ ওরফে জাহেদের বসতঘর থেকে একটি অবৈধ দেশীয় এলজি বন্দুক এবং নগদ ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় পৃথক একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিরা পেশাদার ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্ত এবং লুণ্ঠিত বাকি মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
থানার রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, গ্রেফতারকৃত আবুল বাশার ওরফে বাশার ডাকাতের বিরুদ্ধে নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোরশেদ আলম জানান, ডাকাতি প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।